ডেক্সরিপোর্ট:চলতি বছরের জুলাই থেকে চালু করা হবে ই–পাসপোর্ট। আর এ বছরই পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হবে।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে- ২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকেই ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে। এতে মানুষের ভোগান্তি কমবে।
তিনি আরও জানান, বৈঠকে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোকে পাসপোর্ট ইস্যু ও নবায়ন কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার সুপারিশ করে কমিটি।
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার উদ্যোগ নিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এখনও তা আলোর মুখ দেখেনি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুবিধাসহ নানা কারণে বিভিন্ন মহল থেকে পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার প্রস্তাব করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি একাধিকবার বৈঠকেও বসে।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক সূত্রে আরও জানা গেছে, বৈঠকে ২০২০ সালে ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কমিটির সিদ্ধান্তগুলো স্থায়ী কমিটিকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া গৃহীত কর্মসূচি চূড়ান্ত করে সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য সাব-কমিটি গঠন এবং সম্ভাব্য বাজেট প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।
বৈঠক শেষে ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে দূতাবাস সম্পর্কে কিছু অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী কিছু অভিযোগের বিষয় স্বীকার করে বলেছেন, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কমিটি প্রবাসে শ্রমিকদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা এবং লোকবলসংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
তিনি বলেন, কমিটি বলেছে, বিদেশ মানেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যেকোনো অভিযোগের বিষয়ে দূতাবাসকে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আব্দুল মজিদ খান, নাহিম রাজ্জাক ও নিজাম উদ্দিন জলিল ।